ক্রীড়া ডেস্ক : ২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপের পর্দা নামতে চলেছে। মেটলাইফ স্টেডিয়ামে শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হতে যাচ্ছে স্পেন ও আর্জেন্টিনা। বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমীর নজর এখন এই ফাইনাল ঘিরে।

তবে মাঠের লড়াই ছাপিয়ে এবারের ফাইনাল আলোচনায় রয়েছে একটি ভিন্ন কারণে। প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে আয়োজন করা হচ্ছে ফিফার আনুষ্ঠানিক হাফটাইম শো বা বিরতিকালীন সংগীতানুষ্ঠান। গ্লোবাল সিটিজেনের সহযোগিতায় আয়োজিত এই নতুন ফরম্যাটটি ভবিষ্যতে বিশ্বকাপের ঐতিহ্যের অংশ হয়ে উঠবে বলে আশা করছে ফিফা।

এবারের এই জমকালো আয়োজনে পারফর্ম করবেন ক্রিস মার্টিন, জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, বিটিএস এবং শাকিরার মতো বিশ্বখ্যাত তারকারা। সংগীতানুষ্ঠানটি নিয়ে ফুটবল ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ থাকলেও সময়সীমা নিয়ে তৈরি হয়েছিল নানা জল্পনা-কল্পনা। সাম্প্রতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচার হয়েছিল যে, এবারের হাফটাইম শো হতে পারে ৩০ থেকে ৪০ মিনিট দীর্ঘ। তবে শেষ পর্যন্ত ফিফা জানিয়েছে, পুরো বিরতির সময়সীমা আগের মতোই ১৭ মিনিট থাকবে, যার মধ্যে মূল সংগীতানুষ্ঠানটি হবে মাত্র ১১ মিনিটের।

অনেকেই প্রশ্ন তুলছেন, এর আগে তো বিশ্বকাপের বিভিন্ন ম্যাচে সংগীত পরিবেশনা দেখা গেছে, তাহলে একে কেন প্রথম আনুষ্ঠানিক শো বলা হচ্ছে? এর উত্তর হলো, এর আগে মেক্সিকো বনাম ইংল্যান্ড ম্যাচে মানার পারফরম্যান্সটি ছিল মূলত মেক্সিকো সিটির বিদায়ী সংবর্ধনার অংশ। কিন্তু এবারের ফাইনালের এই অনুষ্ঠানটি বিশেষভাবে পরিকল্পনা করা হয়েছে ফিফার নিজস্ব ব্র্যান্ডিংয়ে, যা সরাসরি বিশ্বকাপের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে জায়গা করে নিতে যাচ্ছে। ফুটবল ও বিনোদনের এই মিলনমেলা আজ খেলাটিকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *