নিজস্ব প্রতিবেদকঃ রাজধানীর মিরপুর এলাকায়, মিরপুর প্রেস ক্লাবের সহ- সভাপতি মোঃ সেলিমুজ্জামান খানের ওপর সন্ত্রাসী কায়দায় হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। ভুক্তভোগী দাবি করেছেন, পূর্ব বিরোধ ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণকে কেন্দ্র করে পরিকল্পিতভাবে তার ওপর হামলা চালানো হয়।

ঘটনার সময় স্থানীয় লোকজন ও প্রত্যক্ষদর্শীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন বলে জানা যায়। পরে ভুক্তভোগীর পরিবারের সদস্যরা দ্রুত জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন দেন। কল পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহত অবস্থায় সেলিমুজ্জামানকে উদ্ধার করে তার নিজ বাসার দোতলায় নিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
পুলিশের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তীতে তিনি থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। অভিযোগপত্রে পুরো ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা এবং হামলাকারীদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে ভুক্তভোগীর পরিবার দাবি করেছে, ঘটনার পর থেকেই তারা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সময় ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে, যার কারণে ভুক্তভোগী ও তার পরিবার ঘর থেকে বের হতেও ভয় পাচ্ছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত ২৯ মে ২০২৬ তারিখ আনুমানিক সন্ধ্যা শারীরিক অবস্থার বিষয়ে জানা গেছে, মাথায় আঘাত ৬টায়। ভুক্তভোগীর ভাষ্য অনুযায়ী, মিরপুর ১ নম্বর ব্লক, পাওয়ার পর তার চিকিৎসা করানো হয়েছে এবং সিটি | সি-বাড়ি নং ১ ও ৩, রোড নং ৯ এলাকার পার্শ্ববর্তী স্ক্যান করা হয়েছে। চিকিৎসকরা তাকে পর্যবেক্ষণে ভবনের বাসিন্দা জিতু, মিতু ও ফরহাদসহ কয়েকজনের রেখেছেন বলে পারিবারিক সূত্রে জানা যায়। সঙ্গে কোরবানির বর্জ্য ফেলা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে কথা-কাটাকাটি শুরু হয়।
এই ঘটনার পর আজ ১৪ জুন ২০২৬ তারিখে মিরপুর প্রেসক্লাবে একটি জরুরি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সেখানে বিভিন্ন গণমাধ্যমকর্মী, সাংবাদিক ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে বলেন, এটি একটি পরিকল্পিত হামলা এবং তিনি জীবনের নিরাপত্তা নিয়ে গভীরভাবে শঙ্কিত।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ, প্রথমে তাদেরকে বর্জ্য নির্দিষ্ট স্থানে না ফেলে রাস্তার পাশে রাখার বিষয়ে অনুরোধ করা হলে তারা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি মারাত্মক উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং অভিযুক্তরা তাকে লক্ষ্য করে কিল, ঘুষি, চড়-থাপ্পড় ও লাথি মারতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে তিনি প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়ে তিনি আরও জানান, প্রাণ বাঁচাতে তিনি দ্রুত নিজের বাসার বলেন, “আমি ন্যায়বিচার চাই, দোষীদের দ্রুত আইনের গেটের ভেতরে আশ্রয় নেন। কিন্তু অভিযোগ অনুযায়ী, আওতায় আনা হোক। আমার পরিবার নিরাপত্তাহীনতায় সেখানে গিয়েও হামলাকারীরা থেমে থাকেনি। এক পর্যায়ে ভুগছে, আমরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছি না।”

জিতু নামে একজন বেলচা হাতে নিয়ে গেটের সামনে এসে এ সময় উপস্থিত সাংবাদিকদের সামনে তিনি অভিযোগ তাকে মারার চেষ্টা করে এবং তার মাথা ও শরীরের বিভিন্ন করেন, ঘটনার পর থেকে তাকে ও তার পরিবারকে স্থানে এলোপাতাড়ি ঘুষি ও আঘাত করে বলে দাবি করা বিভিন্নভাবে হয়রানি ও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এতে তারা মানসিকভাবে চরম বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। এদিকে স্থানীয়ভাবে দাবি করা হচ্ছে, ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজে পুরো ঘটনার দৃশ্য ধারণ করা হয়েছে। তবে এখনো পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আনুষ্ঠানিকভাবে ফুটেজ যাচাই বা তদন্তের বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি।
হয়।

ভুক্তভোগীর বক্তব্য অনুযায়ী, মাথায় গুরুতর আঘাত লাগার পর তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরও হামলাকারীরা লাঠিসোটা নিয়ে গেটের সামনে ভাঙচুর ও আঘাত করতে থাকে বলে অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *