ক্রীড়া ডেস্ক : সিরিজের প্রথম টি-টোয়েন্টিতে মালয়েশিয়ার বিপক্ষে ৮৯ রানে জয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচেও বড় ব্যবধানে জিতল বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্স (এইচপি) দল। এদিন ৭৪ বল বাকি থাকতেই সাত উইকেটের বড় জয় পায় তারা। এই জয়ে দুই ম্যাচ সিরিজে মালয়েশিয়াকে ২-০ তে হোয়াইটওয়াশ করলো বাংলাদেশ এইচপি।

মিরপুর শের-এ-বাংলা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে মালয়েশিয়ার দেওয়া ১০৬ রানের ছোট লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ঝড়ো সূচনা করেন দুই ওপেনার জিসান ও জাওয়াদ আবরার। ইনিংসের প্রথম বলেই ছক্কা মেরে শুরু করেন জিসান। মালয়েশিয়া বোলারদের ওপর ঝড় চালান আবরার। তবে, ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সমান দুটি করে চার ও ছক্কায় ৮ বলে ২৩ রানের ইনিংস খেলে সাজঘরে ফেরেন তিনি। তাকে ফেরান পেসার আরিফউল্লাহ।

একই ওভারে আরিফের দ্বিতীয় শিকারে পরিণত হন তিন নম্বরে নামা আরিফুল ইসলাম। ৩ বলে ৪ রান করে বোল্ড হন তিনি।

দ্রুত দুই উইকেট হারালেও ঝড় থামাননি জিসান। চার নম্বরে থাকা সাব্বির রহমানকে নিয়ে তান্ডব চালাতে থাকেন এই ওপেনার। তাদের ৫০ রানের জুটিতেই জয় নিশ্চিত হয়ে যায় বাংলাদেশ এইচপির। অবশ্য এদিনও ইনিংস বড় করতে পারেননি সাব্বির। প্রশান্ত মাধুকার একটি বলে স্লগ করতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ক্যাচ দিয়ে আউট হন তিনি। ফেরার আগে করে যান ৮ বলে ১২ রান।

এরপর শামীম পাটোয়ারীকে নিয়ে বাকি কাজটা শেষ করেন জিসান। ১৮ বলেই ফিফটি তুলে নেন এই ওপেনার। শেষ পর্যন্ত জিসানের ২১ বলে সাত ছক্কায় ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসে চড়ে সাত উইকেটের বড় জয় পায় বাংলাদেশ এইচপি। ৬ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন শামীম। মালয়েশিয়ার হয়ে আরিফ দুইটি ও প্রশান্ত একটি উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামা মালয়েশিয়ার ইনিংসে তৃতীয় ওভারে প্রথম আঘার হানেন মোহাম্মদ রুবেল। রানের খাতা খোলার আগেই সাইফউল্লাহ মালিককে বোল্ড করেন তিনি। এরপর বেশিক্ষণ টেকেননি আরেক ওপেনার আসলাম খান বিন মালিকও। ২০ বলে ১৮ রান করে বাঁহাতি স্পিনার রাকিবুল ইসলামের বলে বোল্ড হন তিনি।

তৃতীয় উইকেটে ৫৮ রানের জুটি গড়েন অধিনায়ক সৈয়দ আজিজ ও আহমেদ আকিল ওয়াহিদ। তবে, ধীর গতির ব্যাটিংয়ের কারণে বড় স্কোর গড়ার পথে ছিল না ডেভ হোয়াটমোর শিষ্যরা। দুই চারে ৩৩ বলে ৩০ রান করেন ওয়াহিদ। ইনিংসের ১৬ তম ওভারে এই জুটি ভাঙেন পেসার আবু হায়দার রনি। মালয়েশিয়া অধিনায়ক আজিজকেও ফেরান রনি। রনির বলে জিসানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ৫২ বলে ৪০ রানের ইনিংস খেলে আউট হন আজিজ।

নির্ধারিত ২০ ওভারে চার উইকেটে ১০৫ রানে শেষ হয় মালয়েশিয়া। বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্সের হয়ে রনি দুইটি, রুবেল ও রাকিবুল একটি করে উইকেট নেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *