বিনোদন ডেস্ক : ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা ছিল বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মুক্তচিন্তার ফসল বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট শরীফুল ইসলাম লিটন।

তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতি ও শিশুদের প্রতি জিয়াউর রহমানের গভীর অনুরাগ ছিল। এ কারণেই তিনি ‘নতুন কুঁড়ি’ প্রতিযোগিতা ও শিশুপার্ক প্রতিষ্ঠা করেন।

শুক্রবার সন্ধ্যায় বেইলি রোডের গাইড হাউস মিলনায়তনে সবুজ বাংলা কালচারাল ফোরাম আয়োজিত আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। শরীফুল ইসলাম লিটন বলেন, জিয়াউর রহমানের হাত ধরেই এ দেশের সংস্কৃতির বিকাশ ঘটে। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার, একুশে পদক ও স্বাধীনতা পদক প্রবর্তনের মধ্য দিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি তাঁর মুক্তচিন্তার বহিঃপ্রকাশ ঘটান।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সংস্কৃতির প্রতি অনুরাগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ স্লোগানে নতুন বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংস্কৃতিকে প্রাধান্য দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ক্রিয়েটিভ ইকোনমির ওপর জোর দিয়েছেন। সংস্কৃতিকর্মীদের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় তারেক রহমান ঘোষিত ক্রিয়েটিভ ইকোনমি বাস্তবায়িত হবে।

তিনি আরও বলেন, সংস্কৃতিই একটি জাতির মূল পরিচয়। সংস্কৃতির উন্নয়ন ছাড়া দেশ ও জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়। জাতিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে হলে সংস্কৃতির শক্তিতেই এগিয়ে যেতে হবে। সাংস্কৃতিক জাগরণ না ঘটলে কোনো জাতির উন্নয়ন সম্ভব নয়।

অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর বলেন, আবহমান বাংলার হাজার বছরের সংস্কৃতি- লালন, হাসন, ভাটিয়ালি ও পল্লীগীতিই আমাদের জাতিসত্তার মূল পরিচয়। দেশের পরিচয়কে বিশ্বের দরবারে গর্বের সঙ্গে তুলে ধরতে হলে সংস্কৃতির চর্চাকে আরও বেগবান করতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *