ক্রীড়া ডেস্ক : জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে হার দিয়ে তিন ম্যাচ টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরু করলো বাংলাদেশ। সিরিজের প্রথম ম্যাচে ৩২ রানে হেরে গেছে তাওহিদ হৃদয়ের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ টি-টোয়েন্টি দল। জয়ের জন্য ১৮ বলে প্রয়োজন ছিলো ৪১ রান। হাতে ৪ উইকেট।

বাংলাদেশের জন্য সমীকরণটা একটু কঠিন। সেটা আরো ভালোভাবে বোঝা গেল রিচার্ড এনগারাভার বলে বড় শট খেলতে গিয়ে ইয়াসির আলির আউট হওয়াতে। ব্র্যাড ইভান্স ক্যাচ ধরতেই থেমে যায় তার ৫৪ রানের ইনিংসটি। সঙ্গে বাংলাদেশের জয়ের পথও থেমে যায়।

কেননা ওই ওভারেই আরেক স্বীকৃত ব্যাটার মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনও আউট হন। পরে ইনিংস দ্রুতই গুটিয়ে যায়। জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে ১৩৮ রানে অলআউট হয়। এতে করে ৩২ রানের ব্যবধানে সংক্ষিপ্ত সিরিজও হার দিয়ে শুরু করল বাংলাদেশ।

১৭১ রানের টার্গেটে খেলতে নেমে নির্ধারিত ওভারের ছয় বল বাকি থাকতেই সবকয়টি উইকেট হারিয়ে মাত্র ১৩৮ রান করে সফকারীরা। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৫৪ রান করেন ইয়াসির আলী। ৩৮ বল খেলে এই রান করেন তিনি। তার এই ইনিংসে দুইটি চার ও তিনটি ছক্কার মার রয়েছে। রিচার্ড এনগারাভা ও ব্লেসিং মুজারাবানি চারটি করে উইকেট নেন।

বুধবার বুলাওয়েতে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন বাংলাদেশের অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়। দুই ওপেনার ব্রায়ান বেনেট ও তাদিওয়ানাশে মারুমানি উড়ন্ত সূচনা এনে দেন জিম্বাবুয়েকে। ৯ বলে ১৪ রান করে মারুমানি বিদায় নিলেও বেনেট রানের চাকা সচল রাখেন।

ডিওন মেয়ার্স একপ্রান্ত আগলে রাখতে গিয়ে ২০ বলে ২০ রান করে বিদায় নিলে বোলারদের ওপর চড়াও হন অধিনায়ক সিকান্দার রাজা। ১৩ বলে ২০ রান করে তিনি সাজঘরে ফেরার আগে অবশ্য বেনেটকে বিদায় নিতে হয়। তার আগে ৩০ বলে ৬টি চার ও ১টি ছক্কায় ৪৪ রানের কার্যকরী ইনিংস খেলেন এই ওপেনার।

শেষদিকে ২৫ বলে ৩০ রান করে অপরাজিত থাকেন রায়ান বার্ল। ১০ বলে ১৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ব্র্যাড ইভান্স।

বাংলাদেশের হয়ে বল হাতে অগ্নিঝরা পারফরম্যান্স করেছেন নাহিদ রানা। মাত্র ৩ রান খরচ করে চারটি উইকেট শিকার করে ফেলেন তিনি। যদিও শেষ ওভারে খরচ করেন ১৮ রান। তবে ৪ ওভারে মোটমাট খরচ করেন মাত্র ২৬ রান।

মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন ৪ ওভারে ৩৫ রান খরচ করে জোড়া উইকেট শিকার করেন। শেষ পর্যন্ত ৬ উইকেটে ১৭০ রান করে জিম্বাবুয়ে।

এর আগে অন্য সংস্করণে শুধু হার দিয়ে শুরু করেনি, জিম্বাবুয়ের কাছে টেস্ট ও ওয়ানডে দুই সিরিজই খুঁইয়েছে।

বাংলাদেশ:

তাওহিদ হৃদয় (অধিনায়ক), পারভেজ হোসেন ইমন, তানজিদ হাসান, সাইফ হাসান, ইয়াসির আলী চৌধুরী, নুরুল হাসান সোহান, শেখ মেহেদি হাসান, নাসুম আহমেদ, নাহিদ রানা, তাসকিন আহমেদ, মোহাম্মদ সাইফ উদ্দিন।

জিম্বাবুয়ে:

সিকান্দার রাজা (অধিনায়ক), ব্রায়ান বেনেট, রায়ান বার্ল, ব্র্যাড ইভান্স, ক্লাইভ মাডান্ডে, টাডিওয়ানাশে মারুমানি, তাশিঙ্গা মুসেকিয়া, ব্লেসিং মুজারাবানি, ডিওন মেয়ার্স, রিচার্ড এনগারাভা, মিল্টন শুম্বা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *