আন্তর্জাতিক ডেস্কঃ যুক্তরাজ্যের দুটি বিমানবাহী রণতরীর মধ্যে একটি, এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলসকে পোর্টসমাউথ থেকে যাত্রা শুরু করার জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলে জানতে পেরেছে সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যমটি বলছে, প্রতিরক্ষা সূত্র জানিয়েছে যে, জাহাজের ক্রুদের পাঁচ দিনের মধ্যে রওনা দেওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকতে বলা হয়েছে। সাধারণত ১৪ দিন সময় রেখে জাহাজটির “যাত্রা শুরুর নোটিশ” দেওয়া হয়।

এর ফলে এটি ভাবা হচ্ছে যে, মধ্যপ্রাচ্যে সংঘাতের কারণে হুমকির মুখে পড়া ব্রিটিশ স্বার্থ রক্ষায় ভূমধ্যসাগরে এই জাহাজটি মোতায়েন করা হতে পারে।

এদিকে, শত্রুর ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র হামলা থেকে সাইপ্রাসকে রক্ষা করতে দ্রুত পদক্ষেপ না নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে বৃটিশ সরকারের বিরুদ্ধে।

ইতোমধ্যে এই অঞ্চলে টাইপ ৪৫ ডেস্ট্রয়ার, এইচএমএস ড্রাগন, মোতায়েন করা হয়েছে।

এই বছরের শেষের দিকে উত্তর আটলান্টিক এবং আর্কটিক মহাসাগরে মোতায়েনের পরিকল্পনা ছিল বিমানবাহী রণতরী এইচএমএস প্রিন্স অফ ওয়েলস। সেই লক্ষ্যে পোর্টসমাউথে নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য রাখা হয়েছিল এটি।

উত্তর মেরুর কাছাকাছি অঞ্চলে রাশিয়ার আগ্রাসন ঠেকাতে মার্কিন, কানাডিয়ান এবং ইউরোপীয় মিত্রদের সাথে অপারেশন ফায়ারক্রেস্টে এই রণতরীর অংশ নেওয়ার কথা ছিল।

একজন প্রতিরক্ষা সূত্র বিবিসিকে জানিয়েছে যে, প্রিন্স অফ ওয়েলসের “সফরের জন্য পাঁচ দিনের নোটিশে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে”।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র বলেছেন, “আমরা জানুয়ারি মাস থেকে মধ্যপ্রাচ্যে ব্রিটিশ সামরিক উপস্থিতি জোরদার করছি। ইতোমধ্যেই ব্রিটিশ জনগণ এবং এই অঞ্চলে আমাদের মিত্রদের সুরক্ষার জন্য টাইফুন, এফ-৩৫ জেট, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং সাইপ্রাসে অতিরিক্ত ৪০০ জন কর্মী মোতায়েন করা হয়েছে”।

“আক্রমণ শুরু হওয়ার পর থেকে, ব্রিটিশ বিমানগুলোকে ড্রোন ধ্বংস করতে দেখেছি এবং আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার জন্য এই অঞ্চলে অতিরিক্ত সরঞ্জাম পাঠিয়েছি”।

সূত্র: বিবিসি

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *