নিজস্ব প্রতিবেদঃ দেশের শিল্প কারখানা, ব্যবসা বাণিজ্য প্রতিষ্ঠান, পণ্য পরিবহন, থেকে শুরু করে প্রান্তিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী সহ সকল সেক্টর আজ ভয়ঙ্কর চাঁদাবাজীর শিকার। আজ শুক্রবার ২৮ নভেম্বর ২০২৫, সকালে এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের এই কথা বলেন।

তিনি বিভিন্ন পত্র পত্রিকার উদ্ধৃতি দিয়ে বলেন, গার্মেন্টস আমাদের বিরাট একটি রপ্তানীমুখী শিল্প। দেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক মুদ্রার সিংহভাগ যোগান অাসে গার্মেন্টস শিল্প থেকে। বর্তমানে গামেন্টসসহ কল কারখানাগুলো চাঁদাবাজদের হুমকির কাছে খুব অসহায়। প্রতিবাদ করলেই কারখানা বন্ধ ও হত্যার হুমকি দেয়া হচ্ছে, হামলা করা হচ্ছে। ফ্যাসিস্ট তকমা দিয়ে মামলায় ফাঁসিয়ে দেয়ার ভয়ও দেখানো হচ্ছে। এভাবে ঢাকা সহ ঢাকার বাইরের এলাকা থেকে প্রতিদিনই চাঁদাবাজির খবর পাওয়া যাচ্ছে। সম্প্রতি সাভারের হেমায়েতপুরে চাঁদার দাবিতে এক ব্যবসায়িকে তুলে নিয়ে মারধর করা হয়েছে। এ ধরনের অসংখ্য ঘটনা প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে হচ্ছে বলে বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে।

পরিবহন সেক্টরেও ব্যাপক চাঁদাবাজির খবর পাওয়া যাচ্ছে। ভুক্তভোগীরা চাঁদাবাজদের দৌরাত্মে ভয়ে মুখ খুলছেন না আবার কখনো কখনো পুলিশকে অভিযোগ করলেও কোন প্রতিকার পাওয়া যাচ্ছে না।

জিএম কাদের আরো বলেন, এর ফলে অর্থনীতিতে প্রচন্ড নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। যার মধ্যে রয়েছে ব্যবসার খরচ বৃদ্ধি, বিনিয়োগে নিরুৎসাহ এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কার্যক্রমে ব্যাঘাত। চাঁদাবাজির কারনে লাভ কমে যাচ্ছে উৎপাদন এবং কর্মসংস্থানকে ক্ষতিগ্রস্থ করছে। যা আমাদের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্য বড় বাধার সৃষ্টি করছে। প্রশাসনের নির্লিপ্ততায় ব্যবসায়ী নেতারাও এখন বলছেন “অর্থনীতির রক্তক্ষরণ হচ্ছে, সরকার ব্যবসায়ীদের চিৎকার শুনছে না”। চাঁদাবাজির কারনে দেশে আইনের শাসন ব্যাহত এবং সুশাসনের অভাব দেখা দিচ্ছে উল্লেখ করে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জিএম কাদের অনতিবিলস্বে সরকার সংশিষ্ট ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সমস্যা সমাধানের উদ্যোগ গ্রহণ করার আহবান জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *