ডেস্ক নিউজঃ প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে জালিয়াতিসহ নানা অভিযোগে গত ৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ-সমাবেশ করেছেন একদল নিয়োগপ্রত্যাশী।

তাদের দাবি আমলে নিয়ে অভিযোগ তদন্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে দ্রুতই একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে বলে জানা গেছে।

রবিবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান আন্দোলনকারীদের আশ্বস্ত করে জানিয়েছেন, অভিযোগগুলো গুরুত্বের সঙ্গে আমলে নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, প্রশ্নফাঁসের চেষ্টা হয়েছে, এটা অস্বীকার করা যাবে না। ডিজিটাল ডিভাইসের মাধ্যমে পরীক্ষায় নকলের চেষ্টা হয়েছে। এটি প্রশ্নফাঁস না। এই নকলের দায়ে ২০৭ জনকে বহিষ্কার করা হয়েছে। অনেক জায়গায় মামলা হয়েছে, অভিযুক্তদের বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, রবিবার বেলা ১১টার দিকে মিরপুরে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের প্রধান ফটকে পরীক্ষা বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশ করেন একদল চাকরিপ্রার্থী। এ সময় তারা নানান স্লোগানে পরীক্ষায় অনিয়ম, জালিয়াতি ও প্রশ্নফাঁস হয়েছে জানিয়ে বাতিলের দাবি জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *